যুগল কিশোর ঝা : durgapur documentary
গোপী নাথ চত্যপাধায়ের কনিস্ক পুত্র দুর্গা চরণ চত্ত্যপাধ্যায়ের নামে এই জনপথের নাম দুর্গা পুর । ছোট একটি হল্ট স্টেশন দুর্গা পুর ।কয়েকটি মাত্র দোকান । নবাবী আমলের শেষ ভাগ এবং ইংরেজ রাজত্বে দুর্গা পুরের মাটী তে পদার্পণ দুর্গা পুরের ইতিহাসের প্রধান হোতা গোপী নাথ চত্তপাধ্যায় । সে সময় রাজনৈতিক ,সামাজিক , অর্থনৈতিক , প্রশাসনিক পরি কাঠামো বলে কিছু ছিল না । দুর্গা পুরের অনেক আগে বিরভান পুর গ্রামখানি গড়ে উঠেছিল । বর্তমান বিরভান পুর গ্রামে বসবাস কারী আচার্য পরিবারের পূর্ব পুরুষ । কথিত আছে বর্ধমানের মহারাজা তিল্কচাদ মহতাব গ্রামের নাম দেন বিরভান পুর । প্রবাদ আছে এর রাজা লক্ষণ সেন রাজাদের বিগ্রহের পূজারী । এদের আচার্য স ন্মানে ভূষিত করেন । আচার্য ভানুদেব বীরত্বে মুদ্ধ হয়ে তাদের কে অনেক নিষ্কর , পুকুর দিয়ে ছিলেন ।
একবার মহারাজা তিলক চাঁদ রাজ কাজে গ্রাম সংলগ্ন নির্জন জংলে দস্যুর কবলে পড়ে বিপদাপন্ন হয়ে পড়েন , দস্যুরা তো সর্ব স্ব কেড়ে নিয়ে ছিল এমনকি তাদের হাতে প্রান সংশয় দেখা দিয়েছিল ।দস্যু রা মহারাজা কে আক্রমণ করছে শুনে তিনি তার অনুগামী আকুরে , ডোম দের নিয়ে রে রে করে তিনি দস্যুদের আক্রমণ করলেন দস্যু রা প্রান ভয়ে পলাই । ভানু দেবে লাঠি চালনা অপূর্ব কৌশল দেখে মহারাজা তিলক চাঁদ বিস্মিত ও মুগ্ধ হয়ে গিয়ে ছিলেন ।
১৯৫২ সালে দুর্গা পুর ব্যারেজ তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয় । ১৯৫৫ সালে ৯ আগস্ট দুর্গা পুর ব্যারাজের উদব্ধন করেন তদানীন্তন উপ্র রাষ্ট্র পতি রাধাকৃষ্ণন । ১৯৫৯ সালে দুর্গা পুর ব্যারজের কাজ শেষ হয় ।
১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে সেপ্টেম্বর মাসে ডাঃ বিধান রায় গঠন করলেন দুর্গা পুর ইন্ডাস্ট্রি বোর্ড । এই বোর্ডের চেয়ারমান হলেন ডি সি দাইভার । তিনি জাতিতে পার্সি । বিধান রায়ে পরামর্শ মত তিনি কাজ শুরু করলেন । ১৯৫৫/১৯৫৬ সালে পি ডাব্লিউ ডি থেকে বাচা তেরো লক্ষ দিয়ে দুর্গা পুর প্রজেক্টস লিঃ কাজ শুরু করেন । ডি পি এল কারখানা আজ যেখানে গড়ে উঠেছে প্রথম মহাযুদ্ধে র সময় ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর গোলা বারুদের ভাণ্ডার ছিল । ১৯৪১ এই গোলা ভাণ্ডার ও পানা গড়ে স্থানান্তরিত হয় ।
দুর্গা পুর প্রজেক্টস কোক চুল্লি , বিদ্যুৎ কেন্দ্র ,জল প্রকল্প স্থাপন করে ।
গোপী নাথ চত্যপাধায়ের কনিস্ক পুত্র দুর্গা চরণ চত্ত্যপাধ্যায়ের নামে এই জনপথের নাম দুর্গা পুর । ছোট একটি হল্ট স্টেশন দুর্গা পুর ।কয়েকটি মাত্র দোকান । নবাবী আমলের শেষ ভাগ এবং ইংরেজ রাজত্বে দুর্গা পুরের মাটী তে পদার্পণ দুর্গা পুরের ইতিহাসের প্রধান হোতা গোপী নাথ চত্তপাধ্যায় । সে সময় রাজনৈতিক ,সামাজিক , অর্থনৈতিক , প্রশাসনিক পরি কাঠামো বলে কিছু ছিল না । দুর্গা পুরের অনেক আগে বিরভান পুর গ্রামখানি গড়ে উঠেছিল । বর্তমান বিরভান পুর গ্রামে বসবাস কারী আচার্য পরিবারের পূর্ব পুরুষ । কথিত আছে বর্ধমানের মহারাজা তিল্কচাদ মহতাব গ্রামের নাম দেন বিরভান পুর । প্রবাদ আছে এর রাজা লক্ষণ সেন রাজাদের বিগ্রহের পূজারী । এদের আচার্য স ন্মানে ভূষিত করেন । আচার্য ভানুদেব বীরত্বে মুদ্ধ হয়ে তাদের কে অনেক নিষ্কর , পুকুর দিয়ে ছিলেন ।
একবার মহারাজা তিলক চাঁদ রাজ কাজে গ্রাম সংলগ্ন নির্জন জংলে দস্যুর কবলে পড়ে বিপদাপন্ন হয়ে পড়েন , দস্যুরা তো সর্ব স্ব কেড়ে নিয়ে ছিল এমনকি তাদের হাতে প্রান সংশয় দেখা দিয়েছিল ।দস্যু রা মহারাজা কে আক্রমণ করছে শুনে তিনি তার অনুগামী আকুরে , ডোম দের নিয়ে রে রে করে তিনি দস্যুদের আক্রমণ করলেন দস্যু রা প্রান ভয়ে পলাই । ভানু দেবে লাঠি চালনা অপূর্ব কৌশল দেখে মহারাজা তিলক চাঁদ বিস্মিত ও মুগ্ধ হয়ে গিয়ে ছিলেন ।
১৯৫২ সালে দুর্গা পুর ব্যারেজ তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয় । ১৯৫৫ সালে ৯ আগস্ট দুর্গা পুর ব্যারাজের উদব্ধন করেন তদানীন্তন উপ্র রাষ্ট্র পতি রাধাকৃষ্ণন । ১৯৫৯ সালে দুর্গা পুর ব্যারজের কাজ শেষ হয় ।
১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে সেপ্টেম্বর মাসে ডাঃ বিধান রায় গঠন করলেন দুর্গা পুর ইন্ডাস্ট্রি বোর্ড । এই বোর্ডের চেয়ারমান হলেন ডি সি দাইভার । তিনি জাতিতে পার্সি । বিধান রায়ে পরামর্শ মত তিনি কাজ শুরু করলেন । ১৯৫৫/১৯৫৬ সালে পি ডাব্লিউ ডি থেকে বাচা তেরো লক্ষ দিয়ে দুর্গা পুর প্রজেক্টস লিঃ কাজ শুরু করেন । ডি পি এল কারখানা আজ যেখানে গড়ে উঠেছে প্রথম মহাযুদ্ধে র সময় ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর গোলা বারুদের ভাণ্ডার ছিল । ১৯৪১ এই গোলা ভাণ্ডার ও পানা গড়ে স্থানান্তরিত হয় ।
দুর্গা পুর প্রজেক্টস কোক চুল্লি , বিদ্যুৎ কেন্দ্র ,জল প্রকল্প স্থাপন করে ।